সোনারগাঁওয়ে পুলিশি পাহারায় নয়াগাঁও সংঘর্ষে নিহত সাইদুলের দাফন সম্পন্ন - News Of Sonargaon

শিরোনাম

Saturday, March 6, 2021

সোনারগাঁওয়ে পুলিশি পাহারায় নয়াগাঁও সংঘর্ষে নিহত সাইদুলের দাফন সম্পন্ন

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতাঃ

নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলা পিরোজপুর ইউনিয়নের আলোচিত দ্বীন ইসলাম হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও বিভিন্ন ইস্যুতে দুপক্ষের গত ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারী দুইদিনের সংঘর্ষের ঘটনায় ১৩ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকার পর গত ৫ মার্চ যুবলীগ নেতা সাইদুল ইসলাম (২৫) মারা গেলে তার লাশকে ঘিরে নয়াগাঁও ও আশপাশের এলাকায় অস্থিরতা তৈরি হলে পুলিশি পাহারায় তাকে দাফন করা হয়।

শনিবার (৬ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টায় নয়াগাঁও নিহত সাইদুলের নিজ বাড়িতে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম, তদন্ত অসি খন্দকার তবিদুর রহমানের উপস্থিতিতে জানাজা সম্পন্ন হয়। পরে নিহতের আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী তাকে কবরস্থ করেন। এসময় নিহত সাইদুলের ৩ বছর বয়সী ছেলে সোহাগ, তার স্ত্রী সখিনা বেগম (২৪) সহ তার আত্মীয় স্বজনদের আহাজারিতে চারদিকের বাতাস ভারি হয়ে উঠে।  

উল্লেখ্য যে, উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের নয়াগাঁও গ্রামের হাজী আলাউদ্দিনের সঙ্গে একই এলাকার ব্যবসায়ী সাদেকুর রহমান ওরফে সাদেক মোল্লা ও জজ মিয়ার সাথে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নয়াগাঁও এলাকায় দুপক্ষের সংঘর্ষে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে সাইদুল ইসলাম গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন।

নিহত সাইদুলের ভাই শহিদুল্লাহ জানান, গত ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারী দুইদিনের সংঘর্ষের ঘটনায় আমাদের দুটি মামলা চলমান রয়েছে এবং আমার ভাইয়ের নিহত হওয়ার আগে দেয়া জবানবন্ধি অনুযায়ী আমরা আরো কয়েকজন নতুন অপরাধীকে এজহার ভুক্ত করতে সোনারগাঁ থানার ওসি বরাবর একটি আরজি পেশ করলে তিনি তাও এজহার ভুক্ত করে নেন। এতে করে আমার ভাইকে হত্যায় জড়িত মোট আসামীর সংখ্যা ২৫জন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমার ও আমার ভাইয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে এই জঘন্য হত্যাকান্ডের সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি।  

অন্যদিকে, নিউজ অফ সোনারগাঁওয়ের কাছে আসা একটি ভিডিও বার্তা দেখা যায় নিহত সাইদুল ইসলাম মৃত্যুর ঠিক কিছুক্ষণ আগে তার উপর চালানো হামলায় কে কে জড়িত তাদের নাম বলছেন। ভিডিওটি সোনারগাঁ থানা পুলিশকেও সরবরাহ করেছেন বলে জানান নিহতের পরিবারের লোকজন।

সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, লাশ থানায় আসার পর তার আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীদের সহয়তায় তার দাফন কাফন সম্পন্ন করেছি। বড় নয়াগাঁও ও আশেপাশের এলাকায় টহল পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে এলাকার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।