সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতাঃ
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁয়ের পিরোজপুর ইউনিয়নের নয়াগাঁও গ্রামে চাঁদাবাজি ও প্রভাব বিস্তার কে কেন্দ্র করে গত ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারী দুইদিনের সংঘর্ষের ঘটনায় চিকিৎসাধীন যুবলীগ নেতা সাইদুল ইসলাম (২৫) মারা গেলে তার লাশ সোনারগাঁ থানায় এসে পৌঁছালে নয়াগাঁও ও আশপাশের এলাকায় অস্থিরতা তৈরি হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
সাইদুল ইসলাম গত ১৯ ফেব্রুয়ারির সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের নয়াগাঁও গ্রামের হাজী আলাউদ্দিনের সঙ্গে একই এলাকার ব্যবসায়ী সাদেকুর রহমান ওরফে সাদেক মোল্লা ও জজ মিয়ার সাথে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নয়াগাঁও এলাকায় দুপক্ষের লোকজন ও স্থানীয় প্রতিবেশীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, লাশ থানায় এসেছে। বড় নয়াগাঁও ও আশেপাশের এলাকায় বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এ ঘটনায় প্রথমে নিহত সমর আলীর ভাই আব্দুল আলী বাদী হয়ে মো. জজ মিয়াকে প্রধান আসামী করে ১৭ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। অপরদিকে আহত সাদেকুর রহমানের স্ত্রী শেফালী বেগম বাদী হয়ে হাজী আলাউদ্দিনকে প্রধান আসামী করে ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে দুপক্ষের পক্ষ ও বিপক্ষে আদালতে আরো দুটি মামলাসহ সর্বমোট ৪ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ নিয়ে মায়া নয়াগাঁও গ্রামের সংঘর্ষ দুই পক্ষের ২জন নিহত হন। আরো দুই জনের অবস্থা আশংকাজনক বলেও জানা যায়।
এলাকাবাসী জানান, সাইদুর রহমানেব মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর লোকজন ঘরের জিনিসপত্র গরু অন্যান্য মালামাল অন্যত্র সরিয়ে ফেলেছে।
সর্বশেষ তথ্য মতে, নিহত সাইদুলের লাশ সোনারগাঁ থানায় রয়েছে, তার স্বজনরা প্রতিপক্ষ হাজী আলাউদ্দিন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আরো একটি হত্যা মামলা করা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
