সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:
গত ১ মাসের ব্যবধানে নারায়ণগঞ্জে কমেছে লাশ উদ্ধারের সংখ্যা। গত ১ এপ্রিল থেকে থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই এক মাসে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থান থেকে ১৯টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। যার মধ্যে সোনারগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৫টি।
পুলিশসূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ১৯টি লাশ উদ্ধারের মধ্যে হত্যাকান্ডে ৬ জন, অপমৃত্যুতে ১১জন এবং ২ জন সড়ক দুর্ঘটনায় শিকার হোন।
গত ৫ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের রতনপুর এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে লিটন নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। লিটন রংপুরের মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে। তিনি হামছাদী এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন।
গত ৬ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর বাজারের পাশে পশ্চিম বেহাকুর এলাকার দীঘি থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গত ১০ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাচঁপুরের রায়েরটেক এলাকায় ফুটবল খেলার সময় পানিতে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন, আদনান (১০) ও আব্রাহাম (৭)। তারা কুষ্টিয়ার পিরোজপুর গ্রামের বাসিন্দা জিয়াউর রহমানের ছেলে। তারা বাবা-মায়ের সঙ্গে সোনারগাঁয়ের রায়েরটেক খান বাড়ির নিজাম খানের বাসার ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতো।
গত ১৫ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের পঞ্চবটী এলাকায় পুকুরের পানিতে ডুবে সাফওয়ান (২) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশু সাফওয়ান বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের পঞ্চবটী এলাকার ছকির হোসেনের ছেলে।
