কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হচ্ছেন আপেল মাহমুদ - News Of Sonargaon

শিরোনাম

Saturday, May 23, 2026

কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হচ্ছেন আপেল মাহমুদ



নিজস্ব প্রতিবেদক: 

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কালাপাহাড়িয়া  ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এরই মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোস্টার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা। 


তবে সাধারণ ভোটার ও রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) তৃণমূলের পরীক্ষিত নেতা জনাব আপেল মাহমুদকে নিয়ে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নে ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হচ্ছেন দলের এই বলিষ্ঠ কাণ্ডারি।


স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের মতে, জনাব আপেল মাহমুদ শুধু একজন প্রার্থী নন, বরং কালাপাহাড়িয়া  ইউনিয়ন বিএনপির এক বিশ্বস্ত অভিভাবক। 


আপেল মাহমুদ তিনি কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের  কদমিরচর গ্রামের অত্যন্ত সুপরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব আব্দুল মান্নান এবং আরজুদা বেগম দম্পতির কনিষ্ঠ সন্তান। তার দাদা মরহুম নায়েব আলী মুন্সি এলাকায় অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পারিবারিক সূত্রেই আপেল মাহমুদ পেয়েছেন জনসেবা ও নেতৃত্বের দীক্ষা। 


উল্লেখ্য, তার বড় ভাই রফিকুল ইসলাম শান্তি সফল সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দীর্ঘদিন ধরে জনগণের সেবা করেছেন । বড় ভাইয়ের সেই উন্নয়ন ও সেবামূলক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এবার নির্বাচনের মাঠে নেমেছেন আপেল মাহমুদ।


ছাত্রজীবন থেকেই আপেল মাহমুদ অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার  এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। 

সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে তরুণ সমাজের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয়। বর্তমানে একজন সফল ব্যবসায়ী হওয়া সত্ত্বেও এলাকার সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।


দলের কঠিন ও দুর্দিনে যখন অনেকেই মাঠ ছেড়েছিলেন, তখন বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন তিনি। হামলা, মামলা আর নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে তৃণমূল বিএনপিকে সুসংগঠিত রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। আর এ কারণেই সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাকে এত ভালোবাসে!

মাঠপর্যায়ে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে বিগত বছরগুলোতে সামাজিক কর্মকাণ্ড, মানবিক সহায়তা এবং যেকোনো দুর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি কালাপাহাড়িয়ার মানুষ মনে জায়গা করে নিয়েছেন। 


তরুণ সমাজ থেকে শুরু করে প্রবীণ সবার মাঝেই তার রয়েছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা। কালাপাহাড়িয়া  ইউনিয়নের কয়েকজন প্রবীণ ভোটার জানান!


আপেল মাহমুদ এমন একজন মানুষ, যাকে বিপদে-আপদে সবসময় কাছে পাওয়া যায়। তিনি সুসময়ের কোকিল নন, বরং সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে জড়িয়ে থাকা এক নিঃস্বার্থ নেতা। 


আমরা কালাপাহাড়িয়ার  সার্বিক উন্নয়ন ও শান্তির স্বার্থে তাকেই আগামী দিনে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই। তৃণমূলের আকাঙ্ক্ষা ও জয়ের প্রত্যয় ইউনিয়ন বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতা জানান, কালাপাহাড়িয়া  ইউনিয়নে বিএনপির শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। আর সেই অবস্থানকে ভোটে রূপান্তর করতে আপেল মাহমুদের মতো একজন ত্যাগী ও জনপ্রিয় নেতার বিকল্প নেই। দল তাকে মনোনয়ন দিলে বিপুল ভোটে বিজয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


নির্বাচনী প্রস্তুতি ও প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে জনাব আপেল মাহমুদ বলেন, আমি পদের লোভ বা ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। শহীদ জিয়ার আদর্শ এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও জননেতা তারেক রহমান ও আড়াইহাজার উপজেলার মানুষের নয়নের মনি জনাব নজরুল ইসলাম আজাদ ভাইয়ের হাতকে শক্তিশালী করাই আমার মূল লক্ষ্য। 


কালাপাহাড়িয়া  ইউনিয়নের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সঠিক উন্নয়ন ও নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দেয় এবং অবাদ-সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, তবে কালাপাহাড়িয়ার  জনগণ ধানের শীষের পক্ষে এক অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটাবে ইনশাআল্লাহ। আমি নির্বাচিত হয়ে এই ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, সন্ত্রাসমুক্ত ও মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।


কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন  সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা, যোগ্য নেতৃত্ব আর সততার প্রতীক আপেল মাহমুদের হাত ধরেই আগামী দিনে ইউনিয়নের আমূল পরিবর্তন আসবে। এখন সবার চোখ হাই কমান্ডের সিদ্ধান্তের দিকে।