সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সাতভাইয়া পাড়া গ্রামে মামার বাড়িতে বেড়াতে এসে ১০ বছর বয়সী শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ভূক্তভোগী শিশুর খালা তানিয়া আক্তার বাদি হয়ে সোনারগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনা প্রকাশের পর থেকে অভিযুক্ত মারুফ পলাতক রয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সাতভাইয়া পাড়া গ্রামের ১০বছর বয়সী এক শিশু মামার বাড়িতে বেড়াতে আসে। গত মঙ্গলবার রাত ১০টায় পাশের মুদি দোকানে খাবার কিনতে গেলে পথে ওই এলাকার মাসুম মিয়ার ছেলে মারুফ (১৮) শিশুর মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক তাকে পার্শ্ববর্তী জলিলের গ্যারেজে নিয়ে ধর্ষণ করে। এরপর তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মামার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। বিষয়টি স্থানীয়দের কাছে বিচার না পেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ভূক্তভোগী শিশুর খালা তানিয়া আক্তার বাদি হয়ে অভিযুক্ত মারুফকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
ভূক্তভোগী ওই শিশুর খালা তানিয়া আক্তার জানান, আমার ভাগ্নির সঙ্গে যা হয়েছে এটা কোনভাবেই মানতে পারছি না। এ ঘটনায় স্থানীদের কাছে বিচার দাবি করে পাইনি। ঘটনার একদিন পর থানায় মামলা দায়ের করেছি।
বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ড সদস্য মাসুম আহমেদ বলেন, বিষয়টি নিয়ে ভূক্তভোগী শিশুর পরিবার তার কাছে গিয়েছিলেন। বিষয়টি আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেয়া উচিত মনে করে থানায় পাঠিয়ে দিয়েছেন।
সোনারগাঁও থানার পরিদর্শক তদন্ত মো. মহসিন বলেন, শিশু ধর্ষণের ঘটনায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। আসামী গ্রেফতারে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুকে আজ শুক্রবার চিকিৎসা ও পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে পাঠানো হবে।
