সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:
কেন্দ্রীয়
স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ চিঠিতে বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সোনারগাঁ উপজেলা আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
কমিটি অনুমোদনের কয়েক ঘন্টার মধ্যে দল থেকে পদত্যাগ করেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের
সহ-সম্পাদক শাহ আলম হোসাইন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সম্পাদক ও সোনারগাঁ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটির সদস্য
শাহ আলম জানান, নব
গঠিত সোনারগাঁ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটির সদস্যপদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ
করলাম। আমি বিএনপিকে ভালবাসি আজীবন ভালবেসে যাব সাধারণ কর্মী হিসেবে থাকতে চাই এবং
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নি:স্বার্থে মুক্তির আন্দোলনে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সামনের দিনে আন্দোলনে আমি একজন ক্ষুত্র বিএনপির কর্মী হিসেবে প্রতিটি প্রোগ্রামে অংশ গ্রহণ করব।
বিএনপির নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন লাভলুর বিরুদ্ধে
অভিযোগ এনে তিনি জানান, দীর্ঘ ১২ বছর পূর্বে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটির
আহ্বায়ক ছিলেন। বর্তমান কমিটিতেও তাকেই আহ্বায়ক হিসেবে রাখা হয়েছে। তাছাড়া উপজেলা
আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণায় নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক কমিটির কোন স্বাক্ষর না থাকা
এবং কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ টিও বিতর্কের
জন্ম দিচ্ছে। অন্যদিকে নতুন কমিটির সদস্য সচিব নাছির উদ্দিন দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের
রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকলেও গত ২ বছর যাবত বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়েই
উপজেলা কমিটিতে জায়গা পাওয়া টাও বিতর্কিত বলে মনে করেন নবগঠিত কমিটির অনেকেই।
এব্যাপারে
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সম্পাদক ও সোনারগাঁ থানা স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে
পদত্যাগকারী নেতা শাহ আলম হোসাইন আরো জানান, আমি ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতি
করে এখানে এসেছি। দলের দুঃসময়ে ছাত্রদলের নেতৃত্ব দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলার
সহ-সম্পাদক হয়েছি। আওয়ামীলীগ সরকার হঠাও আন্দোলন থেকে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারেক
জিয়ার নির্দেশে রাজপথে থেকে হামলা মামলার শিকার হয়েছি। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের
সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আমাকে অনেক ভালবাসেন। তাদের ভালবাসায় আমি এখানে আসতে
পেরেছি। কিন্তু গতকাল থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি গঠন করা হয়েছে সেখানে যারা
এসেছে তাদের সবাইকে আমি যোগ্য মনে করি। কিন্তু আমি জেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের একজন
সহ-সম্পাদক হিসেবে আমাকে থানা কমিটিতে সদস্য পদে রাখা হয়েছে যা আমার জন্য
অবমুল্যায়ন। কমিটিতে যারা স্থান পেয়েছেন তারা অনেকেই দুইদনি ধরে রাজনীতিতে এসেছে।
আমি মনে করি থানা স্বেচ্ছাসেবক দল যারা গঠন করেছেন তারা অর্থের বিনিময়ে ত্যাগী
নেতাদের বাদ দিয়ে নব্য বিএনপি নেতাদের দলে টেনেছেন। যা দলের জন্য অমঙ্গল। সে জন্য
আমি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে
দায়ী করবো যারা দলের ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে দলের শক্তি বৃদ্ধির পরিবর্তে দলকে
দূর্বল করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। আমি অবশেষে বিএনপির একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে
বলবো দল এবং খালেদা জিয়া ও তাদের রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে আহবায়ক কমিটি
ভেঙ্গে নতুন কমিটি করুন যারা খালেদা জিয়াকে মুক্তি করে গনতন্ত্র পূর্ণরুদ্ধার করতে
পারবে।