নিউজ ডেস্ক:
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ তীব্র যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও চালকরা। এর মধ্যে যানজটে আটকে থাকা অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেয়ার পথে ব্রেন স্ট্রোক ও হৃদ্রোগে আক্রান্ত দুই রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে কুমিল্লা থেকে ঢাকায় আসার পথে যানজটে আটকে থাকা অ্যাম্বুলেন্সে নিউজ টোয়েন্টিফোরের বিশেষ প্রতিনিধি সাইফুল ইসলামের বাবা ডা. মোজাম্মেল হক (৬৯) মারা যান।
স্বজনরা জানান, ডা. মোজাম্মেল হক শুক্রবার দিবাগত রাতে ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রাত ২টার দিকে কুমিল্লা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালে নেয়া হচ্ছিল। তবে তীব্র যানজটের কারণে দীর্ঘ সময় মহাসড়কে আটকে থাকতে হয়।
এ দিকে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে একই মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দিতে যানজটে আটকে থাকা আরেকটি অ্যাম্বুলেন্সে আমিরুন্নেছা নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়। তিনি লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার প্রাণভগবতীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
আমিরুন্নেছার স্বজন তারেক আল হাসান জানান, শুক্রবার হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর রাত ৮টার দিকে তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার উদ্দেশে নেয়া হয়। রাত ১১টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটি দাউদকান্দিতে পৌঁছালে তীব্র যানজটে আটকা পড়ে। এরপর প্রায় চার ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকার পর রাত ৩টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই আমিরুন্নেছার মৃত্যু হয়।