নুনেরটেকে নৌকার স্লোগান দেয়াকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ - News Of Sonargaon

শিরোনাম

Thursday, November 30, 2023

নুনেরটেকে নৌকার স্লোগান দেয়াকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: 

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনকে নিয়ে বিতর্ককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১২ জন আহত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন ২০২৩

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের নুনেরটেক এলাকায় বর্তমান ও সাবেক ইউপি সদস্যদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এঘটনায় আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশংকাজনক।


সোনারগাঁ থানার ওসি মাহবুব আলম বলেন, হামলা ও সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে থমথমে অবস্থা বিরাজ করলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।


নুনেরটেক এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে বারদী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান সদস্য ওসমান গণি ও ইউপি নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী শুক্কুর মাহমুদের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বুধবার রাতে ইউপি সদস্য ওসমান গণির ছেলে মেহেদী হাসান ও জাকারিয়ার সঙ্গে শুক্কুর মাহমুদের সমর্থক বাবুলের কথা কাটাকাটি ও তর্কবিতর্ক হয়। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে টেঁটা, বল্লম, রামদা, হকিস্টিক, লোহার রড, চাপাতি নিয়ে দুই পক্ষের লোকজন একে অপরের ওপর হামলা করে।


বারদী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান সদস্য ওসমান গণি জানান, বুধবার রাতে তার নাতি নৌকার স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে শুক্কুর মাহমুদের লোকজন মারধর করে। এর প্রতিবাদ করায় সকালে শুক্কুর মাহমুদ, সোলায়মান ও সামসুদ্দিনের নেতৃত্বে অর্ধশত লোকজন দেশীয় অস্ত্র টেঁটা, রামদা নিয়ে তাদের লোকজনের ওপর হামলা করে। হামলায় তার পক্ষের সাতজন আহত হয়েছে। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের মোসলে উদ্দিন ও চাঁন বাদশার অবস্থা আশংকাজনক।


শুক্কুর মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ওসমান মেম্বারের পক্ষের জাকারিয়া জাতীয় পার্টির নেতা। তিনি জাতীয় পার্টির এই ওয়ার্ডের সভাপতি। সোনারগাঁ আসনে আবদুল্লাহ আল কায়সার মনোনয়ন পেয়েছেন। এ বছরও তিনি মনোনয়ন ধরে রাখতে পারবেন না- এমন মন্তব্য নিয়ে তার পক্ষের বাবুলের সঙ্গে তর্ক বিতর্ক হয়। সকালে পুনরায় হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় তার পক্ষের টেঁটাবিদ্ধসহ ৫ জন আহত হয়েছে।


হামলায় ইউপি সদস্য ওসমান গণির পক্ষের রমিজউদ্দিন, মোসলেউদ্দিন, চাঁন বাদশা, বাহাউদ্দিন, স্বপন, মোক্তার, মেহেদী ও শুক্কুর মাহমুদের পক্ষের কামরুল ইসলাম, ওমর আলী, আব্দুল হক, হামিদ আলী, দেলোয়ার হোসেন টেঁটাবিদ্ধ হয়ে আহত হয়ে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।