সোনারগাঁও
(নারায়ণগঞ্জ)
প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য
মোর্শেদা বেগমের বিরুদ্ধে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মাহমুদা বেগম নামের এক
বিধবা নারীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১ ঘটিকায় উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মঙ্গলেরগাঁও
এলাকায়
প্রতিবেশী মাহমুদা বেগমের সাথে বাড়ির সীমানা প্রাচীরে গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। বিধবা মাহমুদার ছেলে মারুফ বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের
করেন।
অভিযোগে সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুর ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের
মহিলা সদস্য মোর্শেদা বেগমের অপকর্মের প্রতিবাদ করায় তার নেতৃত্বে সাথী বেগম, মুনিয়া আক্তারসহ অজ্ঞাত ২/৩ জন দেশীয়
অস্ত্র দা, বটি, চাকু, লাঠি নিয়ে বিধবা নারী
মাহমুদা বেগমের বাড়ীতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে মাহমুদা ও তার মেয়ে মারুফাকে
এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এসময় মাহমুদা বেগম ও মারুফার গলায় থাকা স্বর্ণের
চেইন ছিনিয়ে নেয় প্রতিপক্ষের মোর্শেদা মেম্বার। পরবর্তীতে আশেপাশের লোকজন তাদের
ডাক চিৎকার শুনে এগিয়ে এসে তাদের রক্তাক্ত জখম অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা
হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মোরশেদা মেম্বার বলেন, প্রতিবেশি মাহমুদা গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে মাথা ফাটিয়ে মিথ্যে অপবাদ দিচ্ছে৷ মূলত আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আমার প্রতিপক্ষ হিসেবে আমাকে গায়েল করতেই এই অভিযোগ।
এ বিষয় সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
